এসে গেছে আই এস এল

দিন দশেক হল ইন্ডিয়ান সুপার লিগ চালু হয়েছে। ভারতের মাটিতে এত ঢাকঢোল পিটিয়ে কোনও ফুটবলের আসর এর আগে বসানো হয়নি। এই দেশের আটটি চ্যানেলে পাঁচটি ভাষায় ধারাভাষ্য সহকারে আই এস এল-এর খেলা দেখানো হচ্ছে প্রতিদিন। আয়োজকরা একে 'ভারতীয় ফুটবলের জন্ম' বলে প্রচার করছেন আর অনেকেই সেটা বিশ্বাসও করে ফেলেছেন। অনেকের কাছেই আই এস এল ভারতের সেরা ফুটবল লিগ, যদিও ফিফা একে কোনও স্বীকৃতিই দেয়নি। আই-লিগ এর ক্লাবগুলি, যারা এতদিন ধরে এদেশে ফুটবলকে লালন-পালন করে এসেছে, তারা আজ হঠাৎ এই গ্ল্যামারে ঠাসা প্রতিযোগিতা থেকে ব্রাত্য। কিন্তু অপরদিকে খরুচে, বিলাসী মধ্য ও উচ্চবিত্তরা চড়া দামে টিকিট কেটে রোজ সপরিবারে স্টেডিয়ামে আসছেন ফুটবল খেলা দেখতে - যেমনটা এদেশে কল্পনাও করা যেত না কয়েক বছর আগে।

শেষ পর্যন্ত্য কি আই এস এল ভারতীয় ফুটবলের কোনও উন্নতিসাধন করতে পারবে নাকি এর জনপ্রিয়তা এদেশের আসল ক্লাবগুলিকে ঠেলে দেবে অর্থ ও অস্তিত্ব সঙ্কটে? মিডিয়ায় এই নিয়ে চলছে জোর বিতর্ক। এই বিষয়ে ও আই এস এল এর অন্যান্য খুঁটিনাটি খবর সম্পর্কে দু'-চার কথা লেখার সুযোগ হয়েছে FeverPitch.in এর সৌজন্যে, যার কয়েকটা ইতোমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে। সেইসব আর্টিকলের লিঙ্ক এখানে দিয়ে দিলাম। ভবিষ্যতে যে যে লেখা বেরোবে সেগুলিকেও এই তালিকায় যোগ করে দেব। সাংবাদিক হিসেবে মাঠে উপস্থিত থেকে ফুটবল নিয়ে লেখার অভিজ্ঞতা আমার জীবনে এই প্রথম, কাজেই ব্যাপারটা নিয়ে আমি বেশ একটু ইয়ে। আই এস এল চলাকালীন হয়তো আলাদা করে এই সাইটের জন্য কিছু লিখে উঠতে পারব না, কিন্তু বেশ কিছুদিন এখানে কোনও লেখা দেওয়া হয় নি এবং পাঠকরা মনে করতে পারেন যে আমি কুঁড়েমি করে সময় কাটাচ্ছি তাই এই পোস্ট-এর অবতারণা আর কি। কারণ কুঁড়েমি জিনিসটা আমার ধাতে নেই। একদমই নেই।

"Impending Schizophrenia: How Indian Football was Divided and Conquered"

 PART ONE          PART TWO       PART THREE


"The Plastic Checkmate: ISL Wins by Sheer Math"

"What (Not) to Expect from the AIFF Ex-Co Meeting"

No comments:

Post a Comment